বাংলাদেশ

গোবিন্দগঞ্জে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামির ফাঁসির দাবি

গোবিন্দগঞ্জে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামির ফাঁসির দাবি
📷 ছবি: সংগৃহীত
গোবিন্দগঞ্জে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামির ফাঁসির দাবি

​গাইবান্ধা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মিফতাহুল উলুম নূরানী মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে এবং অভিযুক্ত রাজু মিয়ার দ্রুত গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

​সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের জামালপুর বাজারে এ কর্মসূচি পালিত হয়। ঘণ্টাব্যাপী চলা এই মানববন্ধনে স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
​মেহেদুল ইসলাম মণ্ডলের সভাপতিত্বে এবং আল-আমিনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন নির্যাতনের শিকার শিশুর বাবা মধু মিয়া ও খালু কায়সার হাবিব। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সদস্য সাদেকুল ইসলাম, তালুককানুপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও দৌলতপুর আলিম মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি আজাদুল ইসলাম, ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল জলিল, মিফতাহুল উলুম নূরানী মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা হাফেজ সাইফুল ইসলাম, সুন্দইল দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন, জামালপুর হাট প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রউফ মণ্ডল, হাড়িয়া মণ্ডল জামে মসজিদের খতিব মুফতি হাবিবুর রহমান এবং মোরসালিন সরকার প্রমুখ।

​মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, গত ১৪ আগস্ট বিকেলে দেবোত্তর রামনাথপুর গ্রামে রাজু মিয়া ওই শিশুকে ফুসলিয়ে নিজ ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় আট বছর বয়সী শিশুটির চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাকে রক্তাক্ত ও আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে। স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় রাজু।
​বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঘটনার ২৪ দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও হতাশাজনক। দ্রুত সময়ের মধ্যে ধর্ষক রাজুকে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি নিশ্চিত করতে হবে। ​মানববন্ধন থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে স্থানীয়রা জানান, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা না হলে আরও কঠোর ও বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।