বাছুর চুরি করে পালিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি, সিসিটিভির সূত্রে গ্রেপ্তার ২
ত্রিশাল প্রতিনিধি, এম.এ.এইচ রাকিবুল ইসলাম
ময়মনসিংহের ত্রিশালে জুমার নামাজের সময় রাস্তার পাশে বাঁধা ষাঁড় বাছুর চুরির ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) তথ্যের সহায়তায় কিশোরগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় চুরি যাওয়া বাছুরটি উদ্ধার এবং চুরিতে ব্যবহৃত নোয়াহ মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়েছে।
গত ১১ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) দুপুর ২টা ৫ মিনিটে ত্রিশাল উপজেলার ৫ নম্বর রামপুর ইউনিয়নের বীররামপুর চরপাড়া এলাকার শিমুলতলী মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, মো. নাছির উদ্দিনের (২৯) বাবার প্রায় ৬০ হাজার টাকা মূল্যের লাল রঙের ৮-৯ মাস বয়সী ষাঁড় বাছুরটি একটি দোকানের সামনে রাস্তার পাশে বাঁধা ছিল। জুমার নামাজ পড়তে তিনি মসজিদে গেলে সাদা রঙের একটি নোয়াহ মাইক্রোবাসে করে ৩-৪ জন ব্যক্তি সেখানে আসে। তারা দ্রুত বাছুরটি গাড়িতে তুলে নিয়ে চলে যায়।
নামাজ শেষে বাছুরটি না পেয়ে দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হয়। সেখানে চুরির পুরো ঘটনা এবং মাইক্রোবাসটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেখা যায়।
পরে বাদী নাছির উদ্দিনের অভিযোগের ভিত্তিতে ১৩ সেপ্টেম্বর ত্রিশাল থানায় দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় মামলা করা হয়। মামলাটির নম্বর ২১।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আবুল কালাম আজাদ ফুটেজ থেকে গাড়িটির নম্বর শনাক্ত করেন। ঢাকা মেট্রো-চ-১৫-৬৩৭৫ নম্বরের মাইক্রোবাসটির মালিকানা ও ঠিকানা বিআরটিএর মাধ্যমে যাচাই করা হয়। সেই তথ্যের ভিত্তিতে কিশোরগঞ্জে অভিযান চালিয়ে শহরের বত্রিশ বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে মো. হৃদয় (২৫) ও মো. আসাদ মিয়া (৪০)কে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হৃদয় কিশোরগঞ্জের গাইটাল সওদাগর মসজিদ সংলগ্ন এলাকার আঃ আজিজের ছেলে। আসাদ মিয়া একই জেলার বত্রিশ গ্যাস অফিস সংলগ্ন এলাকার মৃত লাল মিয়ার ছেলে।
পুলিশের অভিযানে তাদের কাছ থেকে চুরি যাওয়া বাছুরটি উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা হয় চুরিতে ব্যবহৃত নোয়াহ মাইক্রোবাসটিও।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
~ এম.এ.এইচ রাকিবুল ইসলাম
ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
বাছুর চুরি করে পালিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি, সিসিটিভির সূত্রে গ্রেপ্তার ২
📷 ছবি: সংগৃহীত