সারাদেশ

‎কয়রায় দীর্ঘ বছরের দখলীয় ভূমি জবরদখলের চেষ্টা; প্রতিকারে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

‎কয়রায় দীর্ঘ বছরের দখলীয় ভূমি জবরদখলের চেষ্টা; প্রতিকারে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন
📷 ছবি: সংগৃহীত
‎কয়রায় দীর্ঘ বছরের দখলীয় ভূমি জবরদখলের চেষ্টা; প্রতিকারে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন
‎=============

‎এসকে এম মহসিন রেজা
‎উপজেলা প্রতিনিধি (খুলনা)

‎খুলনার উপজেল কয়রায় দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে ভোগদখলে থাকা জমি জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় জমিতে থাকা আমন ধান ও গাছগাছালি নষ্ট, সীমানা বেড়া ভাঙচুরের পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী কৃষক মো. রেজাউল করিম। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, বিচার ও পরিবারের নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি।

‎শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর)  এ ঘটনায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন সদর ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের দুই নম্বর কয়রা গ্রামের বাসিন্দা ভূক্তভুগি কৃষক মো. রেজাউল করিম।

‎লিখিত বক্তব্যে রেজাউল করিম জানান, কয়রা মৌজার এসএ ১২৫ নম্বর খতিয়ানের ১৬৭৪ নম্বর দাগে ০.৬৬ একর জমি তিনি ১৯৯৯ সালে ক্রয় করেন। জমি কেনার পর থেকে নিয়মিত সরকারি খাজনা পরিশোধ ও নামজারি সম্পন্ন করে সীমানা বেড়া দিয়ে গাছগাছালি লাগানোসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন।

‎তিনি অভিযোগ করেন, গত ১০ সেপ্টেম্বর দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে মদিনাবাদ গ্রামের বাবর আলী গাজীর ছেলে মোশারফ হোসেনসহ কয়েকজন ওই জমি দখলের উদ্দেশ্যে সেখানে প্রবেশ করেন। এ সময় জমিতে রোপণ করা আমন ধান ও গাছগাছালি নষ্ট করা হয়। একই সঙ্গে সীমানা বেড়া ভেঙে পাশের মান্নান হুজুরের বাড়িতে ফেলে দেওয়া হয় বলেও দাবি করেন তিনি।

‎সংবাদ সম্মেলনে রেজাউল করিম আরও বলেন, হামলায় অংশ নেওয়া অনেকের মুখ কাপড় দিয়ে ঢাকা থাকায় সবাইকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে মোশারফ হোসেনের সঙ্গে তাঁর ভাই, বোনসহ পরিবারের লোকজনকে তিনি চিনতে পেরেছেন বলে জানান।

‎তিনি আরও অভিযোগ করেন, জমি দখলের ঘটনায় বাধা দিতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে তাঁকে খুন ও জখমের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। যেকোনো সময় পুনরায় লোকজন নিয়ে এসে জমিটি দখলের চেষ্টা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

‎সংবাদ সম্মেলনে রেজাউল করিম তাঁর জমি রক্ষা, জবরদখলের চেষ্টা বন্ধ, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।