বাংলাদেশ

ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে এপিবিএন

ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে এপিবিএন
📷 ছবি: সংগৃহীত
আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যদের ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা প্রদান করে নতুন আইনের খসড়া অনুমোদন করেছে সরকার। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী যেকোনো অভিযানে আসামিকে গ্রেপ্তারের পর এপিবিএন সদস্যরা সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করতেন।

সোমবার সচিবালয়ে আয়োজিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে লেজিসলেটিভ ও সংসদ-বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে 'আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬'-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত অন্যান্য আইন প্রতিপালন সাপেক্ষে ব্যাটালিয়নের সদস্যদের ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত এবং আনুষঙ্গিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এই আইনে বিশেষ আদালত ও সংক্ষিপ্ত আদালত গঠন এবং বিচারপদ্ধতির বিধান রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, পুলিশ বাহিনীর অধীনস্থ এই ব্যাটালিয়নটি একজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের (অতিরিক্ত আইজিপি) নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। এপিবিএনকে জননিরাপত্তা রক্ষা, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের (ভিআইপি) নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সরকারঘোষিত বিভিন্ন স্থাপনার সুরক্ষা প্রদানসহ সন্ত্রাসবাদ, মাদক, মানব পাচার, ধর্ষণ ও মানবতাবিরোধী কাজে জড়িত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সরকার জানিয়েছে, তৎকালীন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অর্ডিন্যান্সের অধীনে গঠিত এই বিশেষায়িত বাহিনীকে আরও জনবান্ধব ও দক্ষ করে তোলার উদ্দেশ্যে পুরোনো অধ্যাদেশটিকে যুগোপযোগী করে বাংলায় নতুন আইনের খসড়া তৈরি ও জনমত যাচাই সম্পন্ন করা হয়।