সারাদেশ

ইভটিজিং ও মাদকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান এমপি আশফাকের

ইভটিজিং ও মাদকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান এমপি আশফাকের
📷 ছবি: সংগৃহীত
ইভটিজিং ও মাদকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান এমপি আশফাকের

শহীদুল ইসলাম শরীফ, স্টাফ রিপোর্টার

নবাবগঞ্জ উপজেলার এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৩৫ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের উদ্যোগে আজ ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (শনিবার) দপুরে নবাবগঞ্জের কলাকোপা কোকিল প্যারী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি ও ঢাকা ১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে খন্দকার আবু আশফাক কৃতী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান এবং তাদের সাফল্যের পেছনে শিক্ষক ও অভিভাবকদের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “উচ্চশিক্ষার প্রতিটি ধাপ পেরিয়ে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করে এগোতে হবে।”
নিজের জীবনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, “আমিও এই অঞ্চলের ছেলে, নবাবগঞ্জ স্কুলের ছাত্র ছিলাম। কঠোর অধ্যবসায় ও সঠিক পরিকল্পনার কারণেই আজ জাতীয় সংসদে এলাকার মানুষের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছি। তোমরাই আগামী দিনে দেশের ও জাতির নেতৃত্ব দেবে।”
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের জন্য এক ব্যতিক্রমী ঘোষণা দেন। তিনি জানান, কৃতী শিক্ষার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও অনুপ্রেরণা জোগাতে দুটি পৃথক দিনে (এক দিন নবাবগঞ্জ ও এক দিন দোহারের শিক্ষার্থীদের) জাতীয় সংসদের অধিবেশন সরাসরি পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে।
একই সাথে তিনি তরুণ প্রজন্মকে সামাজিক অনাচার, ইভটিজিং, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূলে এবং শিক্ষার্থীদের যে কোনো ন্যায়সংগত পদক্ষেপে তিনি সর্বদা পাশে থাকবেন বলে আশ্বাস দেন।
ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম নিরবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবক তানভীর আহমেদ সানু এবং খন্দকার গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট সমাজসেবক খন্দকার রুহুল আমিন।
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খন্দকার আবুল কালাম, আবদুস সালাম, আবু শফিক খন্দকার মাসুদ, মো: শাহ আলম ও হাবিবুর রহমান ঠান্ডু সহ স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকমণ্ডলী ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ।