সারাদেশ

কোম্পানীগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

কোম্পানীগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
📷 ছবি: সংগৃহীত
কোম্পানীগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

মোহাম্মদ উল্যা
বিশেষ প্রতিনিধি
কোম্পানীগঞ্জ, নোয়াখালী।

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিস মাঠ ও আশপাশের এলাকায় এ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শানেওয়াজ অপু।

অভিযানকালে তিনি বলেন, ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। শুধু সরকারি উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে ব্যক্তি, পরিবার ও সামাজিক পর্যায়ে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হতে হবে। বাড়িঘর, আঙিনা, আশপাশের জমে থাকা পানি ও ময়লা-আবর্জনা নিয়মিত পরিষ্কার রাখার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, সম্মিলিতভাবে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা গেলে ডেঙ্গুর বিস্তার প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব। এ জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বসুরহাট পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মতিন লিটন। তিনি ডেঙ্গুমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। বিশেষ করে ছাত্র ও যুবসমাজকে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমে আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মিজানুর রহমান বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ইসলামী মূল্যবোধের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু বিচ্ছিন্নভাবে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না; বরং সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গুর বিস্তার প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা এবং তা বাস্তবায়নে সম্মিলিত প্রচেষ্টার কোনো বিকল্প নেই। প্রত্যেকে নিজ নিজ বাড়ি, কর্মস্থল ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখলে ডেঙ্গুর প্রজননস্থল কমিয়ে আনা সম্ভব।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি জমে থাকা পানি অপসারণ, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন, শিক্ষার্থী, যুবসমাজ এবং সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ।