যবিপ্রবিতে উৎসবমুখর পরিবেশে ‘জে-জিইবিএ’ নির্বাচন, ভিপি জালিস ও জিএস শাহাদাত
📷 ছবি: সংগৃহীত
যবিপ্রবি প্রতিনিধি: সুবর্ণা বেগম
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি (জিইবিটি) বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি অ্যাসোসিয়েশন’ (J-GEBA)-র নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিভাগে উৎসবমুখর পরিবেশে দিনব্যাপী ভোটগ্রহণ শেষে নতুন এ কমিটি প্রকাশ করা হয়। পরবর্তীতে বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. এ. এম. স্বরাজ আনুষ্ঠানিকভাবে এ নির্বাচন ও গঠিত কমিটির অনুমোদন দেন।
এ নির্বাচনে সহ-সভাপতি (Vice President) পদে বিজয়ী হয়েছেন জালিস মাহমুদ এবং সাধারণ সম্পাদক (General Secretary) পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন।
কমিটির অন্যান্য পদে জয়লাভ করা নেতৃবৃন্দ হলেন—
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: মো: মাহমুদুল হাসান, ক্রীড়া সম্পাদক: শেখ নাহিদ হাসান, ইভেন্ট ও বহিরাগত বিষয়ক সম্পাদক: শিফা আহম্মদ কুমকুম, মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট সম্পাদক: ইয়াসিন আরাফাত, সাংস্কৃতিক সম্পাদক: প্রত্যাশা সাহা প্রমা।
এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন আমিনা খাতুন, মো: মোবিন গালিব এবং সংঘ মিত্রা সিং।
নির্বাচনে জয়লাভের পর অনুভূতি প্রকাশ করে নবগঠিত কমিটির সহ-সভাপতি (VP) জালিস মাহমুদ বলেন, "আমি বিশ্বাস করি, একটি অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্ব শুধু একটি পদ নয়—এটি শিক্ষার্থীদের কথা শোনা, তাদের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়া এবং সেই প্রয়োজন অনুযায়ী কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দায়িত্ব।"
তিনি আরও বলেন, "আমাদের GEBT বিভাগের শিক্ষার্থীদের একাডেমিক, গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং পারস্পরিক যোগাযোগের সুযোগ আরও সমৃদ্ধ করার জন্য কাজ করতে চাই। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অ্যালামনাইদের মধ্যে আরও কার্যকর যোগাযোগ তৈরি করা এবং গবেষণা ও ক্যারিয়ারভিত্তিক সুযোগগুলো শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দিতে চাই।"
এছাড়া তিনি বিভাগের সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা নিয়ে একটি কার্যকর ও প্রাণবন্ত J-GEBA গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. এ. এম. স্বরাজ বিজয়ী নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন যে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত এই নতুন নেতৃত্ব বিভাগের শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখা ও গবেষণা-সহশিক্ষা কার্যক্রমকে আরও ত্বরান্বিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।