ফুলছড়িতে মসজিদের মুয়াজ্জিনের বিরুদ্ধে পরকীয়া ও শিক্ষার্থীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ,নীরব মসজিদ কমিটি!
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার পশ্চিম ছালুয়া খামার জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন ফিরোজের বিরুদ্ধে স্ত্রী থাকা অবস্থায় পরকীয়ায় জড়ানো এবং মাদ্রাসাপড়ুয়া এক ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানাজানি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পরও মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় মুসুল্লি ইউসুফ উদ্দিন (৫০)অভিযোগ করে বলেন,মসজিদের মতো ধর্মীয় ও পবিত্র প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন। কিন্তু অভিযোগ ওঠার পরও মসজিদ কমিটির নীরবতায় স্থানীয় মুসল্লিদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় মুসুল্লি তাজ মিয়া (৪৫), বলেন,স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও মুয়াজ্জিন ফিরোজ দীর্ঘদিন ধরে বেশ কয়েকজন নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখে আসছিলেন। এর পাশাপাশি একজন মাদ্রাসাপড়ুয়া ছাত্রীর সঙ্গেও তার অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।যা আসলে মেনে নেয়ার মতোনা।আমরা এর বিচার চাই।
স্থানীয় মুসুল্লি হিরু মিয়া সহ অভিযোগকারীদের দাবি, বিষয়টি মসজিদ কমিটির কয়েকজন সদস্য অবগত হওয়ার পরও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। ফলে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে—অভিযোগটি কি তদন্তের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়েছে, নাকি কোনো আর্থিক সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে?
এলাকাবাসীর দাবি,আমাদের মসজিদের মুয়াজ্জিনের বিরুদ্ধে এত গুরুতর অভিযোগ ওঠার পরও যদি তদন্ত বা ব্যবস্থা না হয়, তাহলে এর দায় নেবে কে?
তারা আরো বলেন,অভিযোগটি সত্য কি না তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করতে মসজিদ কমিটির উচিত দ্রুত তদন্ত করা। অভিযোগ সত্য হলে সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং অভিযোগ মিথ্যা হলে সেটিও স্পষ্ট করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে পশ্চিম ছালুয়া খামার জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি,আলহাজ্ব সোলাইমান হোসেন বলেন,বিষয়টি যদিও অনেক আগের বিষয় তার পরেও আমরা এর ব্যবস্থা নিবো।
অভিযুক্ত পশ্চিম ছালুয়া খামার জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন ফিরোজের এ বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য তার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এদিকে এলাকাবাসীর প্রশ্ন—ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে এত গুরুতর অভিযোগ ওঠার পরও যদি তদন্ত বা ব্যবস্থা না হয়, তাহলে এর দায় নেবে কে
ফুলছড়িতে মসজিদের মুয়াজ্জিনের বিরুদ্ধে পরকীয়া ও শিক্ষার্থীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ,নীরব মসজিদ কমিটি!
📷 ছবি: সংগৃহীত