সারাদেশ

দারিয়াপুরে স্কুলে যাওয়ার পথে ১৪ বছরের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী অপহরণ, সদর থানায় মামলা

দারিয়াপুরে স্কুলে যাওয়ার পথে ১৪ বছরের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী অপহরণ, সদর থানায় মামলা
📷 ছবি: সংগৃহীত
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধা সদর উপজেলায় স্কুলে যাওয়ার পথে মুক্তি আক্তার (১৪) নামে সপ্তম শ্রেণির এক নাবালিকা ছাত্রীকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় জোরপূর্বক অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
​মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দক্ষিণ আনালেরতারী গ্রামের বাসিন্দা ও দারিয়াপুর কিয়ামত উল্যাহ মেমোরিয়াল উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী মুক্তি আক্তারকে স্কুলে যাতায়াতের পথে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিল দক্ষিণ গিদারি গ্রামের মো. মারুফ মিয়া (১৯)।
​গত ১৮ আগস্ট সকাল আনুমানিক সকাল ৯:৩০ ঘটিকায় ভুক্তভোগী ছাত্রী বাড়ি থেকে স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়ে ঘাগোয়া ইউনিয়নের দারিয়াপুর চারমাথা মোড়ে পৌঁছালে মারুফ মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা একটি সিএনজিযোগে এসে তাকে জোরপূর্বক তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযুক্তদের বাড়িতে গিয়ে খোঁজ করলে আসামিরা তাদের খুন-জখম ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদর্শন করে।
​এ ঘটনায় অপহৃত ছাত্রীর বড় ভাই মো. আঃ রহিম মিয়া বাদী হয়ে গত ২৪ আগস্ট গাইবান্ধা সদর থানায় মারুফ মিয়া (১৯), তার পিতা মো. খোরশেদ আলম খুশি (৪৫) ও মো. সুজন মিয়া (২৭)-সহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন (মামলা নং- ৫৩)।
এ ঘটনায় শামীম কবির মন্ডল নামের ঘাগোয়া ইউনিয়নের স্থানীয় এক বিএনপি নেতা ও গিদারী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবু ছায়েদ এর ইন্ধন ও প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে গুরুতর অভিযোগ করেন বাদীপক্ষ। ​মামলাটির তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল কাইয়ুমকে। পুলিশ জানিয়েছে, অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধার ও আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।