সোনারগাঁও মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে নিহত তিন স্কুল ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় এক বাল্কহেড সহ চারজন আটক
স্টাফ রিপোর্টার, সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ)
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তিন স্কুলছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় একটি বাল্কহেডসহ (নং-০১-১০৭৭)চারজনকে আটক করছেে নৌপুলিশ।
রোববার রাতে বৈদ্যারবাজার এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন বাল্কহেড এমবি সোনারগাঁ মদিনা-৪-এর সুকানি মো. হাবিবুর রহমান (৪৫), গ্রীজার মো. আবু জাফর (৩৫), লস্কর এবাদুল হাওলাদার (২৫) ও মো. সিফাত (১৯)।
পুলিশ জানায়, নদীতে গোসলের সময় বাল্কহেডের ইঞ্জিন চালু হলে পানিতে ঘূর্ণি সৃষ্টি হয়। এতে তিন ছাত্র পানিতে তলিয়ে যায়। স্থানীয়রা চিৎকার করেও বাল্কহেডে থাকা আটককৃতরা বাল্কহেড না থামিয়ে চলে যায়, পরে ঢাকা থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এসে বিকেল সাড়ে তিনটায় জমজ দুইভাইয়ের ও সোয়া পাঁচ টায় আপর ছাত্রের মরদহে উদ্ধার করে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের প্রাথমিক ধারণা, বাল্কহেডের পাখার আঘাতে তারা পানিতে তলিয়ে যেতে পারে।
নিহতদের মধ্যে যমজ দুই ভাই আসেকীন ও আরেফিন এবং আবিদ হোসেন রয়েছে। নিহত যমজ দুই ভাইয়রে জানাজা সোমবার সকাল ১০টায় বাড়িমজলিস হাফেজিয়া মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হওয়ার পর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। অপর নিহত আবিদ হোসেনের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি খুলনায় নিয়ে যাওয়া হয়।
বৈদ্যার বাজার নৌপুলিশের পরিদর্শক রুহুল আমিন জানান, ঘটনায় আটক চারজন ও বাল্কহেডেরে বিরুদ্ধে অবহেলা জনিত আচরণের ফলে মৃত্যুর অভিযোগ মামলা প্রক্রিয়াধীন। নিহত যমজ দুই ভাইয়ের বাবা মোহাম্মদ ফারুক বাদী হয়ে মামলা করবেন বলে জানা যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নিহতরা বাল্কহেডে উঠে নদীতে গোসল করছিল। এক পর্যায়ে তারা পানিতে নামার পর বাল্কহেডের ইঞ্জিন চালু করা হয়। এতে পাখার আঘাত ও পানিতে ঘূর্ণির ফলে তারা ভারসাম্যহীন হয়ে পানিতে তলিয়ে যায়।
তবে এসব অভিযোগ তদন্তের পরই ঘটনার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছ পুলিশ প্রশাসন।
সোনারগাঁও মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে নিহত তিন স্কুল ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় এক বাল্কহেড সহ চারজন আটক
📷 ছবি: সংগৃহীত