দাগনভুঞায় জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ফেরিওয়ালার পাশে দাঁডিয়েছে প্রশাসন:করেছেন ভর্তির ব্যাবস্হা
মোহাম্মদ উল্যা
বিশেষ প্রতিনিধি
কোম্পানীগঞ্জ, নোয়াখালী।
দাগনভুঞায় জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ফেরিওয়ালা ইসমাইল হোসেন নিবির পাশে দাঁড়িয়েছে প্রশাসন। ভর্তি করেছেন ফেনী সরকারি কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে।
জানা যায়, ঢাকার মুন্সিগন্জ জেলার লৌহজং উপজেলার হাট ভোগদিয়া গ্রামের মোহাম্মদ সুজনের ছেলে নিবির পিতার সাথে দাগনভুঞা পৌরশহরের বেতুয়া গ্রামের নাহিদ মন্জিলে বসবাস করত।দাগনভুঞা একাডেমি থেকে এবছর জিপিএ ৫ পেয়েছে। বিষয় টি জেলা প্রশাসক কে অবহিত করার পর তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে মেধাবী নিবির কে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেন। গত শনিবার জেলা প্রশাসক মাহবুবুল করিমের নির্দেশনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরপ্রশাসক মোঃ শাহীদুল ইসলাম বিস্তারিত শুনে ভর্তির ব্যাবস্হা সহ বই খাতা এবং কলেজ ড্রেস দেয়ার ব্যাবস্হা করেন। নিবির জানান,প্রাইভেট পড়তে পারিনাই। স্যারদের সহযোগিতায় বিনা প্রাইভেটে জিপিএ ৫ পেয়েছি। দরিদ্র পরিবারে জন্ম গ্রহন হলেও থেমে থাকেনি তার লেখাপডা।খেয়ে না খেয়ে ও দিনরাত পরিশ্রম করে সে এ সফলতা অর্জন করে। সফলভাবে এগিয়ে গেলেও ভবিষ্যতে কিভাবে লেখাপডা করবে এ চিন্তায় সে দিশেহারা। কলেজে পডালেখা করার ক্ষমতা দরিদ্র পরিবারের নেই।পরিবারের দুশ্চিন্তা বেডেগেছে কিভাবে তাকে পডাবে।সে দাগনভুঞা একাডেমি থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসক তাকে লেখা পড়া করার সুযোগ করে দিয়েছেন এজন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে সে। নিবির আরো জানান,পরিবারের সকলের ভরণপোষণের জন্য বাবার সাথে ফেরী করেছি।বাডীভাডা সহ সকল আয়োজন চলত বাবা আর আমার কর্মের ওপর।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান জানান,নিবির দরিদ্র ঘরে জন্ম নিলেও ভবিষ্যতে সে আরো ভাল করবে। তার প্রতি সকলের সহযোগিতার হাত প্রসারিত করার দরকার।শুনেছি উপজেলা প্রশাসন পাশে দাঁড়িয়েছে। ভবিষ্যতে মেধা বিকাশে সহায়ক হবে এ সহযোগীতা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীদুল ইসলাম জানান, জেলা প্রশাসক স্যারের নির্দেশে মেধাবী এ ছাত্রের পাশে দাঁড়িয়েছি।ভবিষ্যতে সে আর পিছনে তাকাতে হবে না। পাহাড একদিন তার সামনে এসে দাডাঁবে।
দাগনভুঞায় জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ফেরিওয়ালার পাশে দাঁডিয়েছে প্রশাসন:করেছেন ভর্তির ব্যাবস্হা
📷 ছবি: সংগৃহীত